Blog

মালদ্বীপের ৫টি সেরা আন্ডারওয়াটার রেস্টুরেন্ট: এক অনন্য অভিজ্ঞতা

maldives 5 under water restaurant building

প্রিয়জনের সঙ্গে বেড়াতে যাওয়া, গল্প করা বা একান্তে কিছু সময় কাটানোর জন্য রেস্তোরাঁ বা রেস্টুরেন্ট প্রায় সবারই পছন্দ। খাবারের ভিন্ন স্বাদ কিংবা একটু ভিন্ন পরিবেশে প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য রেস্টুরেন্টের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তাই ভোজনরসিকদের আকর্ষণ করতে রেস্টুরেন্টের মালিকেরাও নিচ্ছেন বিভিন্ন পন্থা। রুফটপ, পাহাড়ের চূড়ায়, পানির ওপর বিভিন্ন নান্দনিক রেস্তোরাঁর খবর অনেকেই জানেন। তবে ক্রেতাদের আরও ভিন্ন মাত্রায় আকর্ষণ করার জন্য সমুদ্রের তলদেশে রেস্টুরেন্ট নির্মাণ করেছে দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপ।

মালদ্বীপের আন্ডারওয়াটার ডাইনিং: এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা

সমুদ্রসৈকতের রেস্টুরেন্টগুলোতে বাহারি সি ফুডের অভিজ্ঞতা কমবেশি সবারই থাকে। তবে পানির নিচের রেস্টুরেন্টে খাবারের অন্য রকম অনুভূতি পাওয়া যায় মালদ্বীপে, যা বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি দেশে এ সুযোগ পাওয়া যায়। মজাদার খাবারের সঙ্গে প্রাকৃতিক পরিবেশে খাবার খেতে ভালোবাসেন এমন ভোজনরসিকেরা এবার তাঁদের ইচ্ছা পূরণ করতে পারবেন পানির নিচে প্রাকৃতিক পরিবেশে বসে খাবার খেয়ে। আশপাশে ভেসে বেড়ানো সামুদ্রিক মাছ, হাঙর, জলজ প্রাণী, জীবন্ত কোরাল দেখতে দেখতে যেন খাবারের মজাই আলাদা। তাই সমুদ্রের নিচের এমন রোমাঞ্চকর রেস্টুরেন্ট প্রতিনিয়তই টানছে পর্যটকদের। মালদ্বীপের ৫টি সেরা আন্ডারওয়াটার রেস্টুরেন্টের খবরাখবর তুলে ধরা হলো-

১. ইথা আন্ডার সি রেস্টুরেন্ট: সমুদ্রের গভীরে এক স্বপ্নিল ভোজন

মালদ্বীপের প্রধান আকর্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম ২০০৫ সালে উদ্বোধন হওয়া ইথা আন্ডার সি রেস্টুরেন্ট, যা সমুদ্রের ৬ মিটার বা ১৫ ফুট পানির গভীরে স্বচ্ছ গ্লাস দিয়ে তৈরি। এ রেস্টুরেন্টে একসঙ্গে ১২ জন বসে খেতে পারে। সুস্বাদু খাবারের পাশাপাশি স্বচ্ছ কাচ দিয়ে চোখের সামনে দেখা যায় ভারত মহাসাগরে বিভিন্ন মাছ ঘুরছে, ভেসে বেড়াচ্ছে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খাওয়ার ব্যবস্থা থাকে। দুপুরের খাবার খেতে গুনতে হয় জনপ্রতি প্রায় ২০ হাজার টাকা আর ডিনারের জন্য ৩০ হাজার টাকা।

ITHAA UNDERSEA RESTAURANT maldives underwater

এই রেস্টুরেন্টে ঢোকার জন্য সিট রিজার্ভ করতে হবে অনেক আগেই। কেননা, এখানে টেবিল পাওয়া বেশ কষ্টকর। রেস্টুরেন্টে প্রবেশের আগে আপনাকে ভাসমান কাঠের একটি ব্রিজ পার হতে হয়। প্রবেশ দরজাটি পানির ওপর ভাসমান। দড়ির সাহায্যে সমুদ্রের তলদেশে আটকে রাখা হয়েছে; যাতে জোয়ার-ভাটায় ভেসে না যেতে পারে। এই রেস্টুরেন্টটি তৈরিতে উন্নতমানের ইস্পাত ও কাঁচের ব্যবহার করা হয়েছে, যা গভীর সমুদ্রের চাপ সহ্য করতে সক্ষম। প্রকৌশলীদের নিখুঁত নকশা ও নির্মাণ কৌশল এই রেস্টুরেন্টটিকে একটি স্থাপত্যের বিস্ময়ে পরিণত করেছে।

ইথা মালদ্বীপের স্থানীয় ভাষায় দিবেহিতে, অর্থ মুক্তা। সমুদ্রের মাঝে বসে ২৭০ ডিগ্রি প্যানারমিক দৃশ্য উপভোগের মাঝে ভোজন নিঃসন্দেহে এক অসামান্য অপূর্ব অভিজ্ঞতা এবং এই স্বপ্ন বাস্তবে উপভোগের নামই ইথা।

২. সাবসিক্স রেস্টুরেন্ট: প্রবাল প্রাচীরের মাঝে ডাইনিংয়ের অনন্য অভিজ্ঞতা

সাবসিক্স রেস্টুরেন্টটি পানির মধ্যে এমন এক জায়গায় তৈরি করা হয়েছে, যেখানে বসে আশপাশে প্রচুর প্রবাল আর সামুদ্রিক প্রাণীর আনাগোনা দেখা যায়। যেদিকেই চোখ যায় সবখানেই নানা জীবন্ত প্রাণী! মেঝে থেকে জানালা, সিলিং- যেদিকেই তাকানো যায়, সবখানেই নানা রঙের ছড়াছড়ি। নীল, কমলা, সবুজ রঙের এমন বিচ্ছুরণ দেখলে কোনো পার্টিতে চলে এসেছেন কি না এমনও ভেবে বসতে পারেন। বিয়ের আয়োজনে ভিন্ন মাত্রা যুক্ত করতে অনেকেরই পছন্দ সাবসিক্স। স্বচ্ছ কাচের মতো নীল পানিতে রাখা হয়েছে প্রায় ৯০ ধরনের সামুদ্রিক প্রবাল। আর সাবসিক্সের এই পানিতে বাস করছে প্যারট ফিশ, মুরিশ আইডলস, মোরি ইলস, জায়ান্ট গ্রুপারস, বাটারফ্লাই ফিশ, ড্যামসেলফিশ, হকসবিল কচ্ছপসহ অনেক জলজ প্রাণী। মালদ্বীপের রাজধানী মালে থেকে বিমানে ৪০ মিনিটের দূরত্বে নিয়ামা দ্বীপে নয়নাভিরাম এই রেস্টুরেন্টটি অবস্থিত। নিয়ামা দ্বীপের এই অংশটুকু ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত। দ্বীপে নেমে আবার ১৫ মিনিট স্পিডবোটে করে গেলে তবেই পৌঁছানো যায় সাবসিক্সে।  এই রেস্টুরেন্টটির কাঠামো তৈরিতে প্রকৌশলীরা বিশেষ যত্ন নিয়েছেন, যাতে প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় থাকে। ব্যবহৃত ইস্পাত ও কাঁচের মান নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে গভীর সমুদ্রের চাপ ও লবণাক্ততা সহ্য করা যায়।

২০ ফুট পানির নিচের এই রেস্টুরেন্টে এক বেলা খাবারে খরচ হয় প্রায় ৮ হাজার টাকা। প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত দুপুরের খাবার আর রাত ৯টার পর রাতের খাবার শুরু হয়। প্রতি বুধবার ও শনিবার আন্ডারওয়াটার গালা পার্টির আয়োজন থাকে এখানে। ২০১০ সালে রেস্টুরেন্টটি চালু হয়। রেস্টুরেন্টের সঙ্গে সঙ্গে একে বিশ্বের প্রথম পানির নিচের নাইটক্লাবও বলা হয়। অবশ্য সাবসিক্স এই জায়গাকে বলে ‘আন্ডারওয়াটার প্লে গ্রাউন্ড’। সাবসিক্সে মধ্যরাতেও খাবারের আয়োজন করা হয়।

সামুদ্রিক প্রবাল যেন হারিয়ে না যায়, সে জন্য সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানীদের সাহায্যে রেস্টুরেন্টটি নির্মাণের সময় প্রবাল দিয়ে পুরো রেস্টুরেন্ট ঘিরে দেওয়ার বিষয়টিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। ধীরে ধীরে এই প্রবালগুলো বড় হয়ে পুরো জায়গায় ছড়িয়ে যাবে। দেখে যেন মনে হয়, রেস্টুরেন্টটি প্রবালের নিচে ঢাকা পড়ে গেছে। পানি থেকে ছয় ফুট নিচে অবস্থিত সাবসিক্স নির্মাণে ‘ফাইন্ডিং নিমো’ অ্যানিমেশন সিনেমার কিছু দৃশ্যের সঙ্গে মিল রাখা হয়েছে। যেমন-প্রবাল আকৃতির ঝাড়বাতি, শামুক আকৃতির বার এবং জলজ প্রাণীদের শরীরের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে রঙিন আলো। ২০১৫ সালের দিকে সাবসিক্সে কিছু পরিবর্তন আনা হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাবসিক্সে সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য নতুন আরও অনেক বিষয় যুক্ত করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত।  

৩. ৫.৮ আন্ডার সি রেস্টুরেন্ট: কাঁচের শামুকে ডাইনিংয়ের অভিজ্ঞতা

পানির নিচের আরেক বিস্ময়কর রেস্টুরেন্ট এটি। অবস্থান মালদ্বীপের হুরাওয়াহি দ্বীপে। ঠান্ডা পরিবেশ, চারপাশে অসংখ্য মাছের ছড়াছড়ি, সামনে পছন্দসই খাবার, জুস, হাতে বই রাখার সব আয়োজন আছে সমুদ্রের তলদেশের এই নয়নাভিরাম রেস্টুরেন্টটিতে। নানা রঙের সামুদ্রিক মাছ, হাঙর, অক্টোপাসের চলাফেরা পর্যটকদের শিহরণ জাগায়। পানি ৫ দশমিক ৮ মিটার নিচে বলেই (প্রায় ১৯ ফুট) এর নাম ৫.৮ আন্ডার সি। পুরো রেস্টুরেন্টটির ওজন ৪০০ মেট্রিক টন আর দৈর্ঘ্যে ৯০ বর্গমিটার। রেস্টুরেন্টটিতে ১০টি টেবিল রয়েছে। এখানে পরিবেশিত প্লেট, বাটিগুলোর আদলও সামুদ্রিক প্রবালের মতো। খাওয়ার সময় মনে হবে একটি বড় শামুকে করে খাবার খাচ্ছেন।রেস্টুরেন্টটি নির্মাণে প্রকৌশলীরা আধুনিক স্থাপত্যের নিদর্শন স্থাপন করেছেন। ব্যবহৃত কাঁচ ও ইস্পাত উচ্চমানের, যা গভীর সমুদ্রের চাপ ও লবণাক্ততা সহ্য করতে সক্ষম।

প্রতিদিন দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে লাঞ্চ আর সোয়া ৬টা থেকে সানসেট ডিনার শুরু হয়।

সোয়া ৯টার পর শুরু হয় মুনলাইট ডিনার। খাবার পরিবেশনে যেন ভোজনরসিকেরা আগ্রহ না হারিয়ে ফেলে, তাই প্রতিনিয়ত খাবার মেন্যুতে ভিন্নতা আনার চেষ্টা করা হয় এখানে। মাংস, সামুদ্রিক প্রাণী, নানা স্বাদের স্থানীয় এবং আমদানি করা উপাদান দিয়ে খাবার রান্না করা হয়। ৫.৮ রেস্টুরেন্টে এপ্রিকট নামের একধরনের ফল ও কাঠবাদাম দিয়ে ‘ডাইভার স্ক্যালুপ’ নামে একটি মজার খাবার বানানো হয়। ভোজনরসিকদের কাছে এই খাবারটি বেশ জনপ্রিয়। রাত ও দুপুরের খাবারের মেন্যুতে সাতটি করে খাবার পাওয়া যায়। এখানে শিশুদের খাবারের জন্য আলাদা কোনো মেন্যু নেই।

এই রেস্টুরেন্টে যাঁরা আসেন, তাঁদের বেশির ভাগই হুরাওয়াহি রিসোর্টের অতিথি। মালদ্বীপের লাভিয়ানি আতোলে অবস্থিত এই ফাইভস্টার রিসোর্টটির নকশা করেছেন জাপানিজ স্থপতি ইউজি ইয়ামাজাকি। মালে ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে সামুদ্রিক বিমানে করে এই রিসোর্টে আসতে সময় লাগে ৪০ মিনিট। যদি আপনি বুফে ভালোবাসেন, তবে অ্যাকুরিয়াম রেস্টুরেন্ট ছাড়াও এই রিসোর্টের আরও আছে বিচের পাশে ক্যানেলি রেস্টুরেন্ট।

রেস্টুরেন্টের চারপাশে প্রচুর নান্দনিক সামুদ্রিক প্রবাল সাজানো আছে। কোরাল রাখার ভাবনাটি ছিল হুরাওয়াহির ডাইভ কোচ পেইজ বেনেটের। তিনি নষ্ট হতে যাওয়া বেশ কিছু কোরালের সন্ধান পেয়েছিলেন। সেগুলোতে প্রাণ ফিরবে এমন আশায় রেস্টুরেন্টে নিয়ে আসেন বেনেট। শুরুতে কোরালগুলো ছোট হলেও ধীরে ধীরে এগুলো বড় হতে শুরু করে। কিছু নির্দিষ্ট মাছ আছে, যারা বাঁচে এই কোরালের মাঝেই। বেনেট এমনভাবেই কোরাল বাছাই করতেন যেন সেই মাছগুলো কোরালের কাছে চলে আসে। আর এতে অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীও কোরালের কাছাকাছি আসা-যাওয়া করবে। ছোট ছোট মাছের আনাগোনা যখন বেড়ে যায় তখন বেনেট বড় বড় কোরাল নিয়ে আসেন। আর এই কোরালগুলোই এখন রেস্টুরেন্টের অন্যতম আকর্ষণ।  

৪. সি রেস্টুরেন্ট: জলজ প্রাণীর মাঝে বিলাসবহুল ভোজন

মালদ্বীপে পানির নিচে খাবারের অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে সি রেস্টুরেন্ট। খাবার খেতে খেতে বিভিন্ন জলজ প্রাণীর সাঁতার কাটার দৃশ্য দেখা যায় এখানে বসে। প্রিয়জনদের সঙ্গে নিয়ে নিজের চোখ দিয়ে পানির নিচের জীবন উপভোগ করার একটি অসাধারণ স্থান এটি।

দুপুর ১২টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত দুপুরের খাবার আর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ডিনার টাইম। খাবারের জন্য ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা গুনতে হয়। চোখ ধাঁধানো এই আন্ডারওয়াটার রেস্টুরেন্টটি মালদ্বীপের কিভাহ হুরাভালহি দ্বীপে অবস্থিত।

SEA RESTAURANT maldives underwater

৫. সিক্স মিটার রেস্টুরেন্ট: ২০ ফুট গভীরে রোমান্টিক ডাইনিং

মনোরম পরিবেশে সাগরজীবনের প্রকৃত স্বাদ নিতে মাইনাস সিক্স মিটার রেস্টুরেন্টের তুলনা নেই। এই রেস্টুরেন্টের সি ফুড পর্যটকদের মুগ্ধ করে। নীল জলরাশির ২০ ফুট নিচে প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে দেখার জন্য সবচেয়ে রোমান্টিক স্থান এটি। দুপুরের খাবার ছাড়াও শ্যাম্পেনসহ নাশতা করার ব্যবস্থা আছে এই আন্ডারওয়াটার রেস্টুরেন্টে।

এই রেস্টুরেন্টে দুপুরের খাবারের জন্য ১০-১৫ হাজার টাকা আর ডিনারের জন্য ৩০-৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়। এ ছাড়া সন্ধ্যায় কচ্ছপ, শিল, তিমিসহ নানা প্রাণীর থিম ইভেন্টের আয়োজন করা হয়। দুপুর ১২টা থেকে বেলা ২টা চলে মধ্যাহ্নভোজ আর সন্ধ্যা ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত চলে রাতের খাবার। মালদ্বীপের মাধো আইল্যান্ডে নয়নাভিরাম এই রেস্টুরেন্টের এটির অবস্থান।

মালদ্বীপের আন্ডারওয়াটার রেস্টুরেন্টগুলো শুধু অত্যাধুনিক প্রকৌশলের বিস্ময় নয়, এগুলো একইসঙ্গে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য উপভোগ করার অনন্য সুযোগ। এই রেস্টুরেন্টগুলো মালদ্বীপের পর্যটন শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে এবং বিশ্বজুড়ে প্রকৌশলী ও স্থপতিদের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। আধুনিক স্থাপত্য, প্রকৌশল দক্ষতা এবং প্রকৃতির মেলবন্ধনে তৈরি এই রেস্টুরেন্টগুলো নিঃসন্দেহে আধুনিক স্থানগুলোর মধ্যে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে।

Share This Post

আমাদের বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারদের পরামর্শ নিন

ভূমিকম্প প্রতিরোধী রডে বিনিয়োগ শুধু আপনার ভবনকে সুরক্ষিত রাখে না, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী লাভজনক সিদ্ধান্তও। এই রডগুলি ভবনের কাঠামোকে শক্তিশালী করে, যা জীবন এবং সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করে। এছাড়া, ভবনের মূল্য বৃদ্ধি, মেরামত খরচ কমানো এবং বীমা প্রিমিয়ামের উপর উপকারিতা পাওয়ার মাধ্যমে এটি আপনার অর্থনৈতিক লাভও নিশ্চিত করে। তাই, এখনই আপনার ভবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি নিরাপদ এবং লাভজনক বিনিয়োগ করুন।

এখনই যোগাযোগ করুন: 08000555777

Scroll to Top

Md Abdul Kader Joaddar

Vice Chairman

Our commitment to sustainability, innovation, and automation drives us at AKIJ Resource. As a
managing director, I believe that sustainable practices are essential not only for our long-term success but also for the well-being of future generations. We embrace cutting-edge technology and foster a
culture of continuous innovation and improvement, ensuring that our products and services meet the
ever-evolving needs of our customers.

Our dedication to quality is unwavering. With AKIJ Ispat, we bring a new standard of excellence to the steel industry, backed by a foundation of trust that has helped us ensure a well-known brand in Bangladesh. Our expert team utilizes state-of-the-art manufacturing techniques, supported by advanced automation systems, ensuring that every product we deliver is reliable and durable.

We also prioritize technological advancement, integrating automation into our processes to enhance efficiency and productivity. Empowering our employees to drive innovation and take ownership of their work is central to our philosophy.

At AKIJ Ispat, we are not just a steel manufacturer; we are your trusted partner in building a safer, stronger future. Together, letu2019s forge lasting relationships based on quality, integrity, and shared success.u00a0

Sheikh Jasim Uddin

Managing Director

Our commitment to sustainability, innovation, and automation drives us at AKIJ Resource. As a
managing director, I believe that sustainable practices are essential not only for our long-term success but also for the well-being of future generations. We embrace cutting-edge technology and foster a
culture of continuous innovation and improvement, ensuring that our products and services meet the
ever-evolving needs of our customers.

Our dedication to quality is unwavering. With AKIJ Ispat, we bring a new standard of excellence to the steel industry, backed by a foundation of trust that has helped us ensure a well-known brand in Bangladesh. Our expert team utilizes state-of-the-art manufacturing techniques, supported by advanced automation systems, ensuring that every product we deliver is reliable and durable.

We also prioritize technological advancement, integrating automation into our processes to enhance efficiency and productivity. Empowering our employees to drive innovation and take ownership of their work is central to our philosophy.

At AKIJ Ispat, we are not just a steel manufacturer; we are your trusted partner in building a safer, stronger future. Together, let’s forge lasting relationships based on quality, integrity, and shared success. 

Faria Hossain

Chairman

On behalf of AKIJ Ispat, I would like to extend my heartfelt gratitude to all our clients for placing their trust in us. It is this trust and long-standing partnership that form the cornerstone of our continued success. Over the years, we have worked tirelessly to establish AKIJ Ispat as one of the most reliable names in the steel industry, known for delivering high-quality products and innovative solutions.

I would also like to express my deep appreciation to the government authorities, suppliers, lenders, and all other stakeholders for their unwavering support. Our employees and management team have demonstrated incredible dedication and commitment, and it is through their tireless efforts that we have achieved such remarkable progress.

At AKIJ Ispat, we pride ourselves on our forward-thinking approach, embracing technological advancements while upholding our core values of quality, efficiency, and sustainability. By continuously evolving our processes, we strive to meet the needs of our clients, from large infrastructure projects to smaller, personalized ones, ensuring safety, durability, and excellence in everything we do.

As we look toward the future, I am confident that, with your continued support, we will build on our legacy of innovation, strength, and responsibility, fostering a positive impact on both the industry and the communities we proudly serve.

Thank you once again for choosing AKIJ Ispat as your trusted partner. We look forward to serving you in the years ahead.